রেপিড ক্যাশ কি | রেপিড ক্যাশ লোন | রেপিড ক্যাশ হেল্পলাইন নম্বর বাংলাদেশ


রেপিড ক্যাশ কি, রেপিড ক্যাশ লোন পাওয়ার নিয়ম , রেপিড ক্যাশ হেল্পলাইন নম্বর বাংলাদেশ, এছাড়াও আরও প্রভূৃতি বিষয়ে বিস্তারিত এই পোস্টে লেখার চেষ্টা করেছি।
রেপিড ক্যাশ পরিচালনাকারী গ্রেফতার

রেপিড ক্যাশ কি

রেপিড ক্যাশ একটি মোবাইল অ্যাপস যা সহজ ও নিরাপদ অনলাইনে লোন পরিষেবা সরবরাহ করে। এই অ্যাপস এর উদ্দেশ্য হলো আপনার পক্ষে লোন পাওয়া আরও সহজ করা। আপনার ব্যক্তিগত প্রোফাইলগুলি পূরণ করতে কেবল কয়েক মিনিট সময় নিন এবং তহবিলগুলি পর্যালোচনা শেষে আপনার লোন এর টাকা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হবে।আপনি কোনও জামানত ছাড়াই তহবিল পেতে পারেন।

রেপিড ক্যাশ লোন পাওয়ার নিয়ম ও চার্জ

রেপিড ক্যাশ সাধারণত সর্বনিম্ন তিন হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টার মধ্যে লোন দিয়ে থাকে।রেপিড ক্যাশ এর লোনের মেয়াদ ৭ দিন থেকে সর্বোচ্চ ৩ মাস পর্যন্ত। তাদের লোন পেতে রেপিড ক্যাশ অ্যাপটি ডাউনলোড করে সাইন-আপ করার পর আপনার (NID) কার্ডের সকল তথ্য সহ এবং আপনার পরিচিত ৪ জন ব্যক্তির ফোন নম্বর এবং তাদের নাম দিয়ে এপ্লাই করার ২৪ ঘন্টার মধ্যে আপনি ঋণ পেতে পারেন। আপনার দেওয়া তথ্যগুলো যদি তাদের কাছে সঠিক মনে হয় তাহলে আপনি নিশ্চিত ঋণ পাবেন।
লোন দেওয়ার পরিমাণ: 3,000 থেকে 10,000
শর্ত: 91 দিন – 120 দিন
সর্বাধিক এপিআর: 14%
পরিষেবা ফি: 0 এবং এমএফএস বা অন্যান্য চ্যানেল দ্বারা লেনদেনের ফি নেওয়া হয়।
আপনার লোন দেওয়ার পরিমাণ 10,000 টাকা হয়, এপিআর 10%, প্রসেসিং ফি 10% এবং মেয়াদ 91 দিনের হয়। নির্ধারিত তারিখে, প্ররিশোধের পরিমাণ 11,249.3 টাকা (10,000 * 10% / 365 * 91 + 10,000 + 10,000 * 10%)।
আপনার টাকা দেওয়ার পরিমাণ 10,000 টাকা হয়, এপিআর 10%, প্রসেসিং ফি 20% এবং মেয়াদ 91 দিনের হয়। নির্ধারিত তারিখে, প্রদেয় পরিমাণ 12,249.3 বিডিটি (10,000 * 10% / 365 * 91 + 10,000 + 10,000 * 20%)।
রেপিড ক্যাশ লোন অনুমোদন পাওয়ার শর্তাবলী
রেপিড ক্যাশ এর লোন অনুমোদন পাওয়ার জন্য আপনাকে বাংলাদেশী নাগরিক এবং আপনার বয়স ১৮ বছরেরও বেশি হতে হবে। তাহলেই আপনি এখানে আবেদন করতে পারবেন। রেপিড ক্যাশ সমস্ত ভোক্তার গোপনীয়তা রক্ষা করে এবং আমরা আপনার অনুমতি ব্যতীত কোনও পক্ষকে কোনও ভোক্তার তথ্য সরবরাহ করে না।

রেপিড ক্যাশ হেল্পলাইন নম্বর বাংলাদেশ ও যোগাযোগের ঠিকানা:

আপনাদের রেপিড ক্যাশ ব্যবহার করতে কোনও সমস্যা হলে সাহায্যের জন্য তাদের অনলাইন পরিষেবাতে যোগাযোগ করুন নির্ধারিত সময়ে মধ্যে।

যোগাযোগের সময় :


কাজের সময় : 9: 30 পূর্বাহ্ণ – 6:30 pm (রবিবার – মঙ্গলবার, শনিবার)

ওয়েবসাইট ঠিকানা :


ওয়েবসাইট: www.rapidcash.tech
ইমেল: [email protected]

যোগাযোগের ঠিকানা:


ঠিকানা: এস 20, রোড 3 এ, সেক্টর 9, উত্তরা, ঢাকা, বাংলাদেশ
আমি আশা করি রেপিড ক্যাশ কি, রেপিড ক্যাশ লোন পাওয়ার নিয়ম , রেপিড ক্যাশ হেল্পলাইন নম্বর, এছাড়াও রেপিড ক্যাশ বিষয়ে এই পোস্টে ধারণা পেয়েছেন।
কিছু কথা : আমি এই পোস্টটি লেখার মাধ্যমে কোনো ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সমর্থন করছি না। আমার এই পোস্ট লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে রেপিড ক্যাশ নামক একটি অ্যাপস বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে আছে এবং তাদের কার্জকম চালাচ্ছে সেটা আপনাদের জানানো। তবে আমার ব্যক্তিগত মতামত হচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান বর্তমানে লোন দিচ্ছে সেহেতু আপনাদের প্রতারিত হওয়ার সম্ভবনা তেমন নেই। তবে যদি আপনাদের কাছ থেকে কখনও টাকা জমা নেওয়ার কোনো নিয়ম চালু করে তখন গুরুত্ব সহকারে আপনারা পর্যালোচনা করে দেখবেন।

এগুলো পড়তে পারেন —

Smanager কি | Smanager এর কাজ কি | smanager app এর সুবিধা

এস ম্যানেজার অ্যাপে ফ্রি ই-কমার্স ওয়েবসাইট খোলার সুবিধা

আলাপ অ্যাপ কি | আলাপ অ্যাপ এর সুবিধা | আলাপ অ্যাপ ডাউনলোড

Snack video কি | Snack video থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়

টালিখাতা অ্যাপস কি | টালিখাতা অ্যাপস এর সুবিধা | টালি খাতা app download
sManager app কেন ব্যবহার করব? সুবিধাগুলো কি কি? আয় করা কি সম্ভব ?
রেপিড ক্যাশ সম্পর্কে আপনাদের যেকোনো মূল্যবান মতামত কমেন্টে লিখতে পারেন। আর আমার ফেসবুক পেজ লাইক আমার সাথে যুক্ত থাকুন।
পোস্টটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *